হাতিয়ায় ট্রলারডুবি আরো এক শিশুর মৃতদেহ উদ্ধারএখনো নিখোঁজ ৪জন

ইছমাইল হোসেন কিরন: বরযাত্রীবাহী ট্রলার ডুবির ঘটনায় আমির হোসেন (২) নামে আরো এক শিশুর মৃতদেহ উদ্ধার করেছে কোষ্টগার্ড। রবিবার সন্ধ্যায় হাতিয়ার চেয়ারম্যান ঘাটের সন্নিকটে মেঘনা নদী থেকে আমির হোসেনের মৃতদেহ উদ্ধার করা হয়। আমির হোসেন হাতিয়ার ১নং হরনী ইউনিয়নের হাতিয়া বাজার এলাকার মো: ইলিয়াছের ছেলে।
এর আগে লক্ষীপুরের রামগতি চরগজারিয়া মেঘনা নদী থেকে নিহা (২) ও ভোলার মনপুরার রামনেওয়াজ মেঘনা নদী থেকে জাকিয়া বেগম (৫৫) ও হাতিয়ার টাংকির ঘাট মেঘনা নদী থেকে হাসান (৭) নামে আরো তিন জনের লাশ উদ্ধার করা হয়। এই ঘটনায় এখনো নিখোঁজ রয়েছে ৪ জন।
কোষ্টগার্ডের স্টেশন কমান্ডার লে: তাহসিন রহমান জানান, প্রতিদিনের ন্যায় কোষ্টগার্ডের টিম নদীতে টহল দিচ্ছিলেন। এই অবস্থায় স্থানীয় জেলেদের মাধ্যমে সংবাদ পেয়ে হাতিয়ার চেয়ারম্যান ঘাটের পশ্চিম পাশে মেঘনা নদী থেকে আমির হোসেনের মৃতদেহ উদ্ধার করা হয়। রাতেই আমির হোসেনর মৃতদেহ পরিবারের কাছে হস্তান্তর করা হবে। আমির হোসেন বরযাত্রীবাহি ট্রলার দূর্ঘটনায় নিখোঁজ হওয়া ৮জনের মধ্যে একজন।
উল্লেখ্য ১৫ ডিসেম্বর মঙ্গলবার বিকালে কনেসহ বরযাত্রী নিয়ে ট্রলারটি হাতিয়ার চানন্দী ঘাট থেকে বরের বাড়ী ঢালচরের উদ্দেশ্যে ছেড়ে যায়। ট্রলারটি ঢালচরের কাচাকাছি এলে প্রবল  স্রোতে  নদীতে নিমজ্জিত হয়ে যায়। এই ঘটনায় কনে তাছলিমাসহ ৭জনের মৃতদেহ উদ্ধার করা হলেও এক নারী ও ৭ শিশুসহ ৮জন নিখোঁজ হয়। এসময় ট্রলারের মধ্যে নারী পুরুষ শিশু সহ প্রায় অর্ধশতাধিক লোক ছিল বলে জানানযায়।
কনের পিতা ইব্রাহীম সওদাগর জানায় তার মেয়ে তাছলিমার সাথে হাতিয়ার ঢালচরের বেলাল মেস্তুরীর ছেলে ফরিদ উদ্দিনের বিবাহ হয়। মঙ্গলবার তাছলিমাকে আনুষ্ঠানিক ভাবে বরের বাড়ীতে নেওয়ার সময় এই দূর্ঘটনা ঘটে।

Please follow and like us:

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *