ব্যক্তিগত ভিডিও ফাঁসের অধিকার কারও নেই: পরী মনি

বিনোদন ডেক্সঃ ঢাকাই সিনেমার জনপ্রিয় নায়িকা পরী মনি তার ব্যক্তিগত গোপন তথ্য প্রকাশ হওয়া নিয়ে বিরক্ত। বিশেষ করে রিমান্ডে দেওয়া তার তথ্য প্রকাশ হওয়ায় বিব্রত তিনি। ২৭ দিন কারাভোগের পর বুধবার (১ সেপ্টেম্বর) ছাড়া পেয়ে এসব কথা বলেন পরীমনি।

রিমান্ডের অভিজ্ঞতা নিয়ে পরী মনি বলেন, তেমন হয়রানি করা হয়নি তাকে। যা হয়েছে সবই তিনি বলবেন। ফোন, গাড়ি সব সিআইডিতেই আছে। যেসব ভিডিও বাইরে এসেছে সেগুলো ওই ফোনেই ছিল।

তিনি বলেন, আমার ফোন থেকে আমার ব্যক্তিগত ভিডিও ফাঁস করার রাইটস কারও নেই। আমার বাসার সিসিটিভি ফুটেজও নিয়ে যায়। অনেক হয়েছে একটা জায়গায় শান্ত হওয়া উচিত। আমার থাকার জায়গাটা পর্যন্ত ছাড়ছে না। আমি টায়ার্ড হয়ে যাই মাঝে মাঝে। কতক্ষণ পারা যায়?

আদালতে চিৎকার প্রসঙ্গে তিনি বলেন, চোখের সামনে আমাকে ফাঁসানো হয়েছে, আমি বলব না? আমাকে যখন বাসা থেকে নেয়া হয় তখন আমি জানি নাকি, আমাকে গ্রেফতারের জন্য নেয়া হচ্ছে।

কত নাটক করে আমাকে নিয়ে যাওয়া হলো। বলা হলো, জাস্ট অফিসে যাবেন, কথা বলবেন, চলে আসবেন। পরদিন দেখি আমি গ্রেফতার। আমি বুঝলাম না কিসের জন্য। এগুলো অনেক কথা। সব বলবো।

গণমাধ্যমের ওপর বিরক্তি প্রকাশ করে পরীমনি বলেন, সবাই পরিচয় দিচ্ছেন সাংবাদিক। সবাই কি সাংবাদিক? এরা কেউ আসলে সাংবাদিক না। বেশিরভাগ ইউটিউবে কন্টেন্ট বানায় তারা।

ফ্ল্যাটের লোকজন তাদের সরে যাওয়ার অনুরোধ করলেও তারা না সরে সাংবাদিক পরিচয়ে দাঁড়িয়ে থাকে। সাংবাদিক বলে অন্য ফ্ল্যাটের লোকজনকে হুমকি-ধমকি দিচ্ছে। আসলে এসব করে তারা ইউটিউব কন্টেন্ট বানাবে। রসালো হেডিং দেবে।

শারীরিক অবস্থা সম্পর্কে জানতে চাইলে পরীমনি বলেন, কেমন যেন পাগল হয়ে গেছি। ছাড়া পাওয়ার আগের রাতে উত্তেজনায় ঘুম হয়নি। আমাদের সঙ্গে যারা ছিল ওদের কেউ কেউ নামাজ পড়ছিল, কেউ জেগে ছিল। ওদের সঙ্গেও একটা সম্পর্ক হয়ে গিয়েছিল।

ফজরের আগে ভাবলাম দুই ঘণ্টা ঘুমাই, ৮টার সময়ে হয়তো ডাকবে। ফজরের আজানের পরই শুরু হয়েছে একজনের পর একজন আসা। একজন বলছে রেডি হও, যেতে হবে। একটা ফোঁটাও আমি ঘুমাইনি। গাড়িতে একটুখানি চোখটা বন্ধ হয়েছিল।

Please follow and like us:

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *